All About A Dog | Question And Answer, Translate, Bengali Pronunciation

গল্পটির সারসংক্ষেপ এবং রসগ্রাহী আলোচনা
গার্ডিনারের লেখা ‘অল অ্যাবাউট আ ডগ্’ এমন একটি গল্প যা আমাদের সমাজ এবং সামাজিক নিয়মকানুন সম্পর্কে কিছু প্রশ্নের জন্ম দেয়।
এটা ছিল একটা ঠান্ডা শীতের রাত্রি। সমস্ত যাত্রীরাই তাড়াতাড়ি বাড়ি পৌঁছোনোর জন্য উৎসুক ছিলেন। এক অল্পবয়সী ভদ্রমহিলা একটি ছোট্ট কুকুর নিয়ে বাসে উঠেছিলেন। তখনই কনডাক্টর তাঁকে বাসের ওপরতলার খোলা অংশে চলে যেতে বলেন। কিন্তু বাসের বাকি যাত্রীরা আবহাওয়ার কথা ভেবে যে ভদ্রমহিলা কুকুর নিয়ে উঠেছিলেন তাঁর প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। তা ছাড়া, ভদ্রমহিলা সর্দিকাশিতে ভুগছিলেন। তাই বাসের মধ্যে কুকুরটিকে নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তাঁরা কোনো প্রশ্ন তোলেননি। কিন্তু বাসের কনডাক্টর এত সহজে নিয়ম অগ্রাহ্য করতে রাজি ছিলেন না। ওই শীতের রাত্রে তিনি ওই ভদ্রমহিলাকে বাসের ওপরে যেতে বাধ্য করেছিলেন। প্রাথমিকভাবে ভদ্রমহিলা যেতে রাজি হচ্ছিলেন না এবং বাসের মধ্যেই থাকার ব্যাপারে জিদ ধরেছিলেন। তিনি কনডাক্টরের সঙ্গে তর্কাতর্কিও করেন। কিন্তু কনডাক্টর তাঁর সিদ্ধান্তে অবিচল ছিলেন। তাই বাসের প্রত্যেকটি যাত্রীর অসুবিধা সৃষ্টি করে তিনি মাঝপথে বাস থামিয়ে দিলেন। ভদ্রমহিলা শেষ পর্যন্ত তাঁর নির্দেশ মানতে বাধ্যই হলেন।
পরে যখন ওই বাসের ইঞ্জিনের কিছু সমস্যা দেখা দিল, তখন যাত্রীরা সেই বিলম্ব সহ্য করতে বাধ্য হলেন। কিন্তু বাসের কনডাক্টর-কোনোরকম আপসে রাজি ছিলেন না। সমস্ত রাস্তাটাই ভদ্রমহিলাকে বাসের খোলা দোতলায় ভ্রমণ করতে হল। শেষে গল্পের কথক ওই কনডাক্টরকে এই বলে উপদেশ দিতে চেষ্টা করেছিলেন যে নিয়ম বা আইন বদলানো উচিত পরিস্থিতি অনুসারে এবং তা অবশ্যই নমনীয় করে তুলতে হবে সদিচ্ছার সঙ্গে।
নিয়ম তৈরি হয় সাধারণ মানুষের স্বাচ্ছন্দ্যের জন্য কিন্তু তা যেন অপরের অসুবিধার কারণ না হয়। সেটিই হল আইনের তাৎপর্যের দিক। এর অর্থ হল আমাদের সমাজে আইনকানুন সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিস নয়, সবচেয়ে প্রয়োজনীয় হল ওই আইনকানুন মানবিক বিবেচনার সঙ্গে প্রয়োগ করা।
ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্য বাংলা লিপিতে পাঠ
আই ওয়াজ ট্রাভেলিং ইন আ বাস। ইট ওয়াজ আ বিটালি কোল্ড নাইট, অ্যান্ড ইভেন অ্যাট দ্য ফার এন্ড অভ্ দ্য বাস্ দ্য ইস্ট উইন্ড কাট লাইক আ নাইফ্। দ্য বাস স্টপড্ অ্যান্ড টু উওমেন্ অ্যান্ড আ ম্যান গট ইন টুগেদার অ্যান্ড ফিল্ড দ্য ভ্যাকান্ট প্লেসেস্। দ্য ইয়ংগার উওম্যান ক্যারিড্ আ লিটল্ পিকিনিজ ডগ। দ্য কনডাক্টর কেইম ইন অ্যান্ড টুক দেয়ার ফেয়ারস্। দেন হিজ আই রেস্টেড অন দ্য বিডি-আইড ডগ। আই স্য ট্রাব্ল্ কামিং আপ্। দিস্ ওয়াজ দ্য অপ্রচুনিটি ফর দুইচ্ দ্য কনডাক্টর হ্যাড বিন ওয়েটিং, অ্যান্ড হি ইন্টেন্ডেড্ টু মেইক দ্য মোস্ট অভ্ ইট। আই হ্যাড মার্কড হিম অ্যাজ দ্য টাইপ চু হ্যাড্ আ জেনারেল ভেগ গ্রিভান্স অ্যাবাউট্ এভরিথিং। হি সিড্ টু হ্যাভ আ পারক্ট্রিলার গ্রিভান্স এগেইনস্ট প্যাসেঞ্জারস হু কেইম অ্যান্ড স্যাট ইন হিজ বাস হোয়াইল হি শিভারড অ্যাট দ্য ডোর।
“ইউ মাস্ট টেইক্ দ্যাট্ ড আউট,” হি সেইড্।
“আই শ্যাল সার্টেনলি ডু নাথিং অভ্ দ্য কাইন্ড। ইউ ক্যান্ টেইক্ মাই নেইম্ অ্যান্ড অ্যাড্রেস,” সেইড দ্য উওম্যান। শি হ্যাড এভিডেল্লি এক্সপেক্টেড দ্য
চ্যালেঞ্জ অ্যান্ড নিউ দ্য রিপ্লাই।
“ইউ মাস্ট টেইক দ্য ডগ্ আউট্-দ্যাটস্ মাই অর্ডার।”
“আই ওন্টু গো অন্ দ্য টপ্ অভ্ দ্য বাস ইন সাচ ওয়েদার। ইট ড্যুড্ কিল মি,” সেইড দ্য উওম্যান। 2 tipish
“সার্টনলি নট্” সেইড হার লেডি কম্প্যানিয়ন। “ইউ’ভ্ গট্ আ কাফ্ অ্যাজ ইট ইজ।” “ইটস্ নন্নেস্,” সেইড হার মেল কম্প্যানিয়ন্।
দ্য কনডাক্টর পুণ্ড্র দ্য বেল্, অ্যান্ড দ্য বাস্ স্টড্। “দিস্ ব্যস ডান্টু গো অন আন্টি দ্যাট ডগ্ ইজ্ ব্রট্ আউট।” হি স্টেপ্ অন্ টু দ্য পেমেন্ট অ্যান্ড ওয়েটেড্। ইট ওয়্যজ হিজ মোমেন্ট অভ্ ট্রায়াম্ফ্। হি হ্যাড দ্য ল অন হিজ সাইড। এভরিবডি ইন দ্য বাস ওয়াজ অন দ্য সাইড অভ্ দ্য লেডি অ্যান্ড হার ডগ। দে টক্ ইন রেইজড্ ভয়েসেস্।
শেমফুল।”
“কল দ্য পলিস!”
“লেস্ অল রির্পোট হিম!”
“লেটস্ মেক হিম গিত্ আস্ আওয়ার ফেয়ারস্ ব্যাক।”
“ইয়েস্, দ্যাট্স্ ইট; লেস্ মেইক হিম গিভ আস্ আওয়ার ফেয়ারস্ ব্যাক!”
দ্য লিল্ অ্যানিম্যাল স্যাট্ ব্লিংকিং অ্যাট্ দ্য ডিম লাইটস্, আন্কন্সাস্ অভ্ দ্য ট্রাবল্ হি হ্যাড কড্।
দ্য কনডাক্টর কেইম টু দ্য ডোর। সাম্ প্যাসেঞ্জারস্ ডিম্যান্ডেড্, “গিত্ আস আওয়ার ফেয়ারস্ ব্যাক্-ইজ্ এনগেইজড্ টু ক্যারি আস-ইউ কান্টু লিভ আস হিয়ার অল নাইট।” “নো ফেয়ারস্ ব্যাক,” সেইড দ্য কনডাক্টর। ট্যু অর থ্রি প্যাসেঞ্জারস গট্ আউট অ্যান্ড ডিঅ্যাপিয়ারড্ ইনটু দ্য নাইট। দ্য কনডাক্টর টার্নড্ অন দ্য পেভমেন্ট, ওয়েন্ট টু দ্য ড্রাইভার টু হ্যাভ আ টক্ উইথ হিম। অ্যানাদার বাস, দ্য লাস্ট অন দ্য রোড, ওয়েন্ট বাই। ইট সিড্ ইন্ডিফারেন্ট টু দ্য শাউটস্ অভ্ দ্য প্যাসেঞ্জারস্ টু স্টপ। আ পুলসম্যান স্ট্রোলড্ আপ অ্যান্ড লুকড্ ইন অ্যাট দ্য ডোর। দ্য প্যাসেঞ্জারস্ বাস্ট আউট উইথ ইন্ডিন্যান্ট প্রোটেস্টস্ অ্যান্ড অ্যাপিলস্। “ওয়েল, হি’জ গট্ হিজ
রুলস্, ইউ নো,” হি সেইড্ জিনিয়ালি। দেন হি ওয়েন্ট অ্যাওয়ে টু স্ট্যান্ড আ ফিউ ইয়ার্ডস্ ডাউন দ্য স্ট্রিট। দেয়ার হি ওয়াজ জয়েন্ড বাই ট্যু মোর কস্টেক্লস্।
স্টিল দ্য লিল্ ড ব্লিংকড্ অ্যাট দ্য লাইটস্ অ্যান্ড দ্য কনডাক্টর ওয়াকড্ টু অ্যান্ড ফ্রো লাইক আ ক্যাপ্টেন ইন দ্য আওয়ার অভ্ ভিক্ট্রি। আ উওম্যান প্যাসেঞ্জারস্ ভয়েস রোজ অ্যাবাভ দ্য গেইল্, থ্রেটনিং দ্য বাস কনডাক্টর। বাট্ হি ওয়াজ কোল্ড অ্যাজ দ্য নাইট অ্যান্ড হার্ড অ্যাজ দ্য পেমেন্ট। শি এক্সপ্রেস্ হার অ্যাংগার টু দ্য থ্রি পুলিশমেন হু স্টুড্ আপ দ্য স্ট্রিট ওয়াচিং দ্য ড্রামা। দেন শি কেইম ব্যাক, কল্ হার কমপ্যানিয়ন্ অ্যান্ড ভ্যানিশড। দ্য বাস ওয়্যজ এম্পটিয়িং।
“আইল গো টু দ্য টপ্” সেইড দ্য ইয়ং লেডি উইথ দ্য ডগ, অ্যাট লাস্ট।
“ইউল্ হ্যাভ নিউমোনিয়া,” দ্য ম্যান সেইড।
হোয়েন শি হ্যাড ডিঅ্যাপিয়ারড্ আপ দ্য স্টেয়ার্স, দ্য কনডাক্টর কেইম ব্যাক অ্যান্ড পুল্ দ্য বেল। দ্য বাস ওয়েন্ট অন। হি স্টুড ট্রায়াম্ফ্যান্ট, হোয়াইল হিজ কন্ডাক্ট ওয়্যজ ক্রিটিসাইজড ইন হিজ ফেস বাই দ্য প্যাসেঞ্জারস্।
দেইন দ্য বাস ডেভেল্পড্ ইঞ্জিন ট্রাব্ল্ অ্যান্ড দ্য কনডাক্টর ওয়েন্ট টু দ্য হেপ্ অভ্ দ্য ড্রাইভার। ইট্ ওয়্যজ আ লং জব্। মিন্হোয়াইল, দ্য লেডি উইথ দ্য ডগ স্টোল ডাউন দ্য স্টেয়ারস্ অ্যান্ড রি-এন্টারড্ দ্য বাস। হোয়েন দি ইঞ্জিন ওয়্যজ পুট্ রাইট, দ্য কনডাক্টর কেইম্ ব্যাক্ অ্যান্ড পুলড্ দ্য বেল। দেইন হিজ আই ফেল অন দ্য ডগ, অ্যান্ড হিজ হ্যান্ড ওয়েন্ট টু দ্য বেল-রোপ এগেইন। দ্য ড্রাইভার লুকড্ রাউন্ড, দ্য কনডাক্টর পয়েন্টেড্ টু দ্য ডগ, অ্যান্ড দ্য বাস স্টপড়। দ্য হোল স্ট্রাগল্ বিগ্যান অল ওভার ওয়ানস এগেইন। দ্য কনডাক্টর ওয়াকড্ দ্য পেমেন্ট, দ্য লিল্ ড ব্লিংকড অ্যাট দ্য লাইটস, দ্য লেডি এগেইন ডিক্লেয়ারড্ দ্যাট শি ট্যুড্ নট গো টু দ্য টপ, অ্যান্ড ফাইনালি ওয়েন্ট।
দ্য বাস ওয়্যজ স্যুন এম্পট্,ি অ্যান্ড আই ওয়্যজ দ্য লাস্ট প্যাসেঞ্জার লেফট্ বিহাইন্ড। “আইভ্ গট্ মাই-রুলস্”, দ্য কনডাক্টর সেইড্ টু মি। হি হ্যাড্ ওন্ হিজ ভিক্ট্রি, বাট্ ফেল্টু দ্যাট হি উড্ লাইক টু জাস্টিফাই হিমসেল্ফ টু সামবডি।
রুলস্”, আই সেইড, “আর নেসেসারি থিংস। সাম আর হার্ড অ্যান্ড ফাস্ট রুলস্, লাইক দ্য রুল অভ্ দ্য রোড, দুইচ্ ক্যান্ নট্ বি ব্রোকেন, উইদাউট্ ডেনজার টু লাইফ অ্যান্ড লিম্ব। বাট সাম আর অনলি রুলস্ ফর ইয়োর গাইডেন্স, লাইক দ্যাট রুল অ্যাবাউট দ্য ডগস্। ইউ ক্যান ইউজ ইয়োর কমন সেন্স, হিয়ার। দে আর মেনট্ টু বি অবজার্বড্ ইন দ্য স্পিরিট, নট ইন দ্য লেটার, ফর দ্য কম্ফর্ট অভ্ দ্য প্যাসেঞ্জারস্। ইউ হ্যাভ কেপ্ট দ্য রুল, বাট্ ব্রোকেন ইস্ স্পিরিট। ইউ শ্যুড্ মাইন্ড ইয়োর রুলস্ উইথ আ লিল্ পুড় উইল্ অ্যান্ড গুড় টেম্পার্।”
হি টুক্ ইট্ ভেরি ওয়েল্, অ্যান্ড হোয়েন আই গট অফ্ দ্য বাস হি সেইড্ “গুড় নাইট” কোয়াইট অ্যামিয়েবলি।
বঙ্গানুবাদ
আমি একটা বাসে করে যাচ্ছিলাম। এটি ছিল এক কনকনে ঠান্ডা রাত্রি আর এমনকি বাসের একেবারে শেষপ্রান্তেও পুবদিক থেকে আসা বাতাস ছুরির মতো কাটছিল। বাস থামল এবং দুজন মহিলা ও একজন পুরুষ উঠলেন আর ফাঁকা জায়গাগুলি পূর্ণ করে দিলেন। কমবয়সি মহিলাটি একটি ছোট্ট পিকিনিজ কুকুর সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছিলেন। কনডাক্টর ভেতরে এলেন এবং তাঁদের ভাড়া নিলেন। তারপরেই তাঁর চোখ পড়ল পুর্তির মতো কুতকুতে চোখের ওই কুকুরটার ওপর। আমি দেখলাম ঝামেলা হতে চলেছে। এটি হল সেই সুযোগ যার জন্য কনডাক্টর অপেক্ষা করছিলেন এবং তিনি এটাকে সর্বতোভাবে কাজে লাগাতে চাইলেন। আমি লক্ষ করলাম যে তিনি এমন এক ধরনের লোক যিনি সমস্তকিছু সম্পর্কেই একটি সাধারণভাবে অনির্দিষ্ট রাগ-বিরক্তি পোষণ করেন। তাঁকে দেখে মনে হল বিশেষ করে যাত্রীদের প্রতি এক রাগ-বিরক্তি তাঁর আছে কারণ যাত্রীরা আসছে আর বাসের মধ্যে বসে পড়ছে অথচ তিনি দরজায় দাঁড়িয়ে ঠকঠক করে কাঁপছেন।
“আপনি কুকুরটিকে নিয়ে বেরিয়ে যান,” তিনি বললেন।
“আমি ওরকম কোনো কিছু অবশ্যই করব না। আপনি আমার নাম ঠিকানা নিতে পারেন,” ভদ্রমহিলা বললেন। স্পষ্টতই তিনি চ্যালেঞ্জটি প্রত্যাশা করছিলেন এবং উত্তরও তাঁর জানা ছিল।
“আপনি কুকুরটিকে নিয়ে অবশ্যই নেমে যাবেন-এটা আমার নির্দেশ।” “এই আবহাওয়ায় আমি কিছুতেই বাসের উপরে যাব না। আমি মরে যাব,” ভদ্রমহিলা বললেন।
“অবশ্যই না।” তাঁর মহিলা সঙ্গী বললেন, “তোমার তো কাশি রয়েইছে।”
“বোকা বোকা ব্যাপার,” তাঁর পুরুষ সঙ্গী বললেন।
কনডাক্টর বেল টানলেন, বাস থেমে গেল। “এই বাস যাবে না যতক্ষণ না কুকুরটিকে বাইরে বের করা হচ্ছে।” তিনি ফুটপাথে নেমে গিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলেন। এটি ছিল তাঁর জন্য যুদ্ধজয়ের মুহূর্ত। আইন তাঁর পক্ষে ছিল। বাসের প্রত্যেকে ওই ভদ্রমহিলা এবং তাঁর কুকুরের পক্ষে। তাঁরা জোর গলায় কথা বলতে লাগলেন:
“লজ্জাজনক ব্যাপার।”
“পুলিশ ডাকুন!”
“সবাই মিলে তাঁর কাছে অভিযোগ জানানো হোক।”
“ও আমাদের ভাড়া ফেরত দিক।”
“হ্যাঁ ঠিক তাই; ওকে আমাদের ভাড়া ফেরত দিতে বাধ্য করি আমরা!”
অস্পষ্ট আলোয় ছোট্ট প্রাণীটি বসে চোখ পিটপিট করছিল, তার নিজের তৈরি সমস্যা সম্পর্কে সে সম্পূর্ণ অসচেতন।
কনডাক্টর দরজায় এলেন। কিছু যাত্রী দাবি করলেন, “আমাদের ভাড়া ফেরত দাও-তুমি আমাদের নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব নিয়েছিলে তুমি আমাদেরকে এখানে সারারাত ফেলে রাখতে পার না!” “কোনো ভাড়া ফেরত হবে না,” কনডাক্টর বললেন।
দু-তিন জন যাত্রী বেরিয়ে গেলেন এবং রাত্রির অন্ধকারে উধাও হয়ে গেলেন। কনডাক্টর ফুটপাথে ঘুরছিলেন, কথা বলার জন্য চালকের কাছে গেলেন। অন্য একটি বাস, রাস্তার শেষ বাস, চলে গেল। মনে হল বাসটিকে থামানোর জন্য যাত্রীদের চিৎকারের প্রতি সম্পূর্ণ উদাসীন। একজন পুলিশ দুলকি চালে এগিয়ে এলেন এবং দরজা দিয়ে ভেতরে তাকালেন। রোষপূর্ণ প্রতিবাদ এবং আবেদনে যাত্রীরা ফেটে পড়ল। “আসলে ওরও তো আইন মানতে হয়, বুঝতেই পারছেন” তিনি নম্রভাবে বললেন। তারপরে তিনি রাস্তা দিয়ে হেঁটে কয়েক গজ দুরে গিয়ে দাঁড়ালেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে আরো দুজন কনস্টেবল যোগ দিলেন।
তখনও আলোর দিকে তাকিয়ে ছোট্ট কুকুরটি চোখ পিটপিট করছিল এবং কনডাক্টর যুদ্ধ জয়ের সময় ক্যাপটেনের মতো ভাব নিয়ে এদিক ওদিক ঘুরছিলেন। বাসের কনডাক্টরকে ভয় দেখানোর স্বরে, ওই হট্টগোলের আওয়াজ ছাপিয়ে এক মহিলা যাত্রীর কণ্ঠস্বর শোনা গেল। কিন্তু কনডাক্টর ছিলেন রাত্রির মতোই শীতল, ফুটপাথের মতো কঠিন। মহিলা যাত্রী ওই তিন জন পুলিশের প্রতিও তাঁর রাগ প্রকাশ করলেন যাঁরা রাস্তার ওপর দাঁড়িয়ে নাটক দেখছিলেন। তারপরে মহিলা ফিরে এলেন, তাঁর সঙ্গীকে ডাকলেন এবং উধাও হয়ে গেলেন। বাস ধীরে ধীরে ফাঁকা হচ্ছিল।
“আমি ওপরে যাব,” কুকুর নিয়ে ওই যুবতি ভদ্রমহিলা বললেন, অবশেষে। “তোমার তো নিউমোনিয়া হয়ে যাবে,” ভদ্রলোকটি বললেন।
যখন ভদ্রমহিলা সিঁড়ি বেয়ে ওপরের দিকে উধাও হলেন, কনডাক্টর ফিরে এলেন এবং ঘণ্টী ধরে টান দিলেন। বাস চলতে লাগল। তিনি বিজয়ীর মতো দাঁড়িয়ে রইলেন, যখন যাত্রীরা তাঁর মুখের ওপর তাঁর আচরণের সমালোচনা করতে লাগলেন।
তারপরে বাসটির ইঞ্জিনের সমস্যা দেখা দিল এবং কনডাক্টর ড্রাইভারকে সাহায্য করতে চললেন। এ বেশ দীর্ঘ সময়ের কাজ। ইতিমধ্যে কুকুর নিয়ে ওই ভদ্রমহিলা সিঁড়ি দিয়ে চুপিচুপি নেমে এলেন এবং বাসের মধ্যে আবার ঢুকলেন। ইঞ্জিন যখন আবার ঠিক হল, কনডাক্টর ফিরে এলেন এবং ঘণ্টী ধরে টানলেন। তারপরেই কুকুরের ওপর তাঁর চোখ পড়ল, ঘণ্টীর দড়িতে আবার তাঁর হাত চলে গেল। চালক ফিরে তাকালেন, কনডাক্টর কুকুরটির দিকে ইঙ্গিত করলেন আর বাসও থেমে গেল। পুরো লড়াইটা আবার একবার নতুন করে শুরু হল। কনডাক্টর ফুটপাথে হাঁটতে লাগলেন, আলো দেখে ছোট্ট কুকুরটা চোখ পিটপিট করতে লাগল, ভদ্রমহিলা আবার ঘোষণা করলেন যে তিনি ওপরে যাবেন না এবং অবশেষে গেলেন।
বাস খুব শীঘ্রই ফাঁকা হয়ে গেল এবং আমিই শেষ যাত্রী হিসেবে পড়ে রইলাম। “আমি আমার নিয়ম মেনে কাজ করেছি” কনডাক্টর আমাকে বললেন। তাঁর যুদ্ধ তিনি জয় করেছেন কিন্তু মনে হল যেন তিনি কারো কাছে নিজের আচরণ যুক্তি দিয়ে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন।
“নিয়মকানুন,” আমি বললাম, “হল প্রয়োজনীয় জিনিস। কিছু নিয়ম বড়ো কঠোর, যেমন রাস্তায় চলার নিয়ম, যা জীবন বা অঙ্গপ্রত্যঙ্গ হানির ব্যতিরেকে ভাঙা যায় না। কিন্তু কিছু নিয়মকানুন হল কেবলমাত্র আমাদের পথনির্দেশের জন্য, যেমন কুকুর সম্পর্কে নিয়মকানুন। এখানে আপনি আপনার সাধারণ বুদ্ধি কাজে লাগাতে পারেন। এই নিয়মকানুনগুলি সঠিক তাৎপর্যে পালন করার জন্য, অক্ষরে অক্ষরে পালন করার জন্য নয়, যাত্রীদের স্বাচ্ছন্দ্যের কথা ভেবে পালনের জন্য। আপনি নিয়ম মেনে চলেছেন, কিন্তু এর তাৎপর্যের দিকটা ভেঙে দিয়েছেন। নিয়মকানুনগুলি আপনার ভাবা উচিত একটু সদিচ্ছা মিশিয়ে এবং ভালো মনে।”
তিনি আমার কথাগুলি ভালোভাবেই নিলেন এবং আমি যখন বাস থেকে নামলাম তিনি বেশ অমায়িকভাবেই বললেন, “শুভ রাত্রি।”
QUESTIONS & ANSWERS
Tick (✓) the correct answer from the given alternatives.
নিচে দেওয়া বিকল্পগুলির মধ্যে থেকে সঠিক উত্তরটিতে টিক চিহ্ন (✓) দাও।
* Questions marked with * are very important.
1. The younger woman called a little [যুবতী মহিলা একটি ছোট]—
2. *The younger woman was suffering from [যুবতী মহিলা ভুগছিলেন]—
3. *The bell was pulled by the [ঘণ্টা টানা হয়েছিল]—
4. *The number of policemen to whom the woman expressed her anger was [যে পুলিশদের সামনে মহিলাটি তাঁর রাগ প্রকাশ করেছিলেন তাদের সংখ্যা ছিল]—
5. *The problem the bus faced was with the [বাস যে সমস্যার মুখে পড়েছিল সে সমস্যাটি ছিল]—
6. The vacant places in the bus were filled by [বাসের ফাঁকা আসনগুলি পূর্ণ হয়েছিল]—
7. The lady with the dog got support from [কুকুরের সঙ্গে যে ভদ্রমহিলা ছিলেন তিনি সমর্থন পেয়েছিলেন]—
8. The time of travelling in the bus was [বাসে ভ্রমণের সময়টি ছিল]—
9. The night of the bus journey was [বাস যাত্রার রাতটি ছিল]—
10. The eyes of the Pekinese dog were like [পিকিনিজ কুকুরের চোখদুটি ছিল]—
11. Everybody in the bus supported the [বাসের প্রত্যেকে সমর্থন করেছিলেন]—
12. If the young lady would go to the top of the bus, according to the man’s opinion she would suffer from [ভদ্রলোকের মতে, যদি যুবতী মহিলা বাসের ওপরে উঠতেন, তবে তিনি ভুগতেন]—
13. The bus stopped for the second time because [বাসটি দ্বিতীয়বার থেমেছিল কারণ]—
14. The last passenger to get out of the bus was [বাস থেকে নামা শেষ যাত্রী ছিলেন]—
15. The conductor noticed the Pekinese dog when [কন্ডাক্টর পিকিনিজ কুকুরটিকে লক্ষ্য করেছিলেন যখন]—
Answers
EXERCISE (2)
নিচের বাক্যগুলি সত্য না মিথ্যা তা লেখো। সত্য হলে ‘T’ এবং মিথ্যা হলে ‘F’ লেখো। তোমার উত্তরের সমর্থনে বাক্য / শব্দ / বাক্যাংশ লেখো।
1. The author was travelling in a bus on a not summer night.
Supporting Statement: It was a bitterly cold night.
2. The gust of wind is compared to the blow of a knife.
Supporting Statement: … the east wind cut like a knife.
3. In ‘All About a Dog’ the conductor stood comfortably at the door of the bus.
Supporting Statement: She expressed her anger to the three policemen who stood up the street watching the drama.
4. There were two police constables altogether.
Supporting Statement: He seemed to have a particular grievance against passengers who came and sat in his bus while he sneered at the door.
5. The male companion of the young lady apprehended that she might suffer from dysentery.
Supporting Statement: “You” have pneumonia, the man said.
6. The passengers demanded their fares back.
Supporting Statement: Some passengers demanded, “Give us our fares back.”
7. The passengers protested jointly.
Supporting Statement: Everybody in the bus was on the side of the lady and her dog.
8. The conductor’s order was illegal.
Supporting Statement: He had the law on his side.
9. The author believed that the conductor broke spirit of the law.
Supporting Statement: You have kept the rule, but broke its spirit.
10. The author’s criticism made the conductor angry.
Supporting Statement: He took it very well…
11. The conductor wanted to justify himself to the author.
Supporting Statement: He had won his victory, but felt that he would like to justify himself to somebody.
12. Under no circumstances, the rule of the road should be broken.
Supporting Statement: Some are hard and fast rules, like the rule of the road, which cannot be broken without danger to life and limb.
13. The engine of the bus was repaired within a few seconds.
Supporting Statement: It was a long job.
EXERCISE (3)
পাঠ্যাংশ থেকে তথ্য নিয়ে ছকটি পূরণ করো।
| No. | Statement | Reason |
|---|---|---|
| 1. | The policeman did not support the passengers’ view. | The conductor had the law on his side. |
| 2. | Even when the engine was put right, the bus did not move. | In the meantime the lady with the dog reentered the bus. |