WBBSE Class 8 Poribesh O Biggan Chapter 7 Question and Answer

WBBSE Class 8 Chapter 5: Question and Answer

অষ্টম শ্রেণির পরিবেশ ও বিজ্ঞান – সপ্তম অধ্যায়: অণুজীবের জগৎ (গুরুত্বপূর্ণ ২৪টি বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্নোত্তর)

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) অষ্টম শ্রেণির পরিবেশ ও বিজ্ঞান বিষয়ের ‘অণুজীবের জগৎ’ (Microorganisms) অধ্যায়টি পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্রছাত্রীদের সহজে মনে রাখার ও পরীক্ষায় নিখুঁত উত্তর লেখার সুবিধার্থে এই অধ্যায়ের বাছাই করা বহুবিকল্পভিত্তিক প্রশ্ন (MCQ) এবং তাদের সহজ বিশ্লেষণ নিচে আলোচনা করা হলো।


১. ‘অণুজীব’ (Microorganism) বলতে কাদের বোঝানো হয়?

ক) যাদের খালি চোখে দেখা যায়
খ) যাদের খালি চোখে দেখা যায় না, অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখতে হয়
গ) সব উদ্ভিদকে
ঘ) সব প্রাণীকে

সঠিক উত্তর: খ) যাদের খালি চোখে দেখা যায় না, অণুবীক্ষণ যন্ত্রে দেখতে হয়

বিশ্লেষণ: যেসব জীব এতই ক্ষুদ্র যে তাদের খালি চোখে দেখা যায় না, দেখতে মাইক্রোস্কোপ বা অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তাদের অণুজীব বলে। যেমন— ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ছত্রাক, শৈবাল ইত্যাদি। আশ্চর্যের বিষয় হলো, পৃথিবীর মোট জীবভরের প্রায় ৬০ ভাগই হলো এই অণুজীব।

২. পৃথিবীতে অণুজীবের অস্তিত্ব ঠিক কত বছর ধরে টিকে আছে?

ক) প্রায় ৩৫০ কোটি বছর (৩.৫ বিলিয়ন)
খ) প্রায় ১০ কোটি বছর
গ) প্রায় ১ কোটি বছর
ঘ) প্রায় ১০ লক্ষ বছর

সঠিক উত্তর: ক) প্রায় ৩৫০ কোটি বছর (৩.৫ বিলিয়ন)

বিশ্লেষণ: পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন জীব হলো এই অণুজীব। এরা প্রায় ৩৫০ কোটি বছর ধরে পৃথিবীতে টিকে আছে, যা অন্য কোনো জীবের পক্ষে সম্ভব হয়নি। মাত্র ১ গ্রাম মাটিতে প্রায় ১০০ কোটির বেশি অণুজীব বাস করে!

৩. অণুজীবকে প্রধানত কয়টি ভাগে ভাগ করা যায়?

ক) ২ প্রকার
খ) ৩ প্রকার
গ) ৪ প্রকার (ব্যাকটেরিয়া, আদিপ্রাণী, ছত্রাক, শৈবাল)
ঘ) ৫ প্রকার

সঠিক উত্তর: গ) ৪ প্রকার (ব্যাকটেরিয়া, আদিপ্রাণী, ছত্রাক, শৈবাল)

বিশ্লেষণ: অণুজীব মূলত চার প্রকারের হয়: ব্যাকটেরিয়া, আদিপ্রাণী (প্রোটোজোয়া), ছত্রাক এবং শৈবাল। ভাইরাসকেও অণুজীববিজ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যদিও এদের নিজস্ব কোনো কোশীয় গঠন নেই।

৪. ব্যাকটেরিয়ার কোশে নিচের কোন অঙ্গাণুটি অনুপস্থিত থাকে?

ক) কোশপ্রাচীর
খ) প্রকৃত বা সুগঠিত নিউক্লিয়াস
গ) DNA
ঘ) রাইবোজোম

সঠিক উত্তর: খ) প্রকৃত বা সুগঠিত নিউক্লিয়াস

বিশ্লেষণ: ব্যাকটেরিয়া হলো প্রোক্যারিওটিক (Prokaryotic) জীব। এদের কোশে কোনো পর্দা-ঘেরা সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না, DNA পেঁচানো অবস্থায় থাকে। এছাড়া মাইটোকন্ড্রিয়া বা গলজি বস্তুর মতো কোনো পর্দাবৃত অঙ্গাণু এদের থাকে না।

৫. আকৃতির ওপর ভিত্তি করে ব্যাকটেরিয়া প্রধানত কয় প্রকারের হয়?

ক) ১ (গোলাকার)
খ) ২ (গোলাকার ও দণ্ডাকার)
গ) ৩ (কমা, দণ্ড, গোলাকার)
ঘ) ৪ (কমা, দণ্ড, গোলাকার, প্যাঁচানো স্প্রিং)

সঠিক উত্তর: ঘ) ৪ (কমা, দণ্ড, গোলাকার, প্যাঁচানো স্প্রিং)

বিশ্লেষণ: ব্যাকটেরিয়ার মূল আকৃতি চারটি: ১. কক্কাস (গোলাকার), ২. ব্যাসিলাস (দণ্ড বা রডের মতো), ৩. ভিব্রিও (কমা-আকৃতি) এবং ৪. স্পাইরিলাম (প্যাঁচানো স্প্রিংয়ের মতো)।

৬. ভাইরাসকে ‘জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী পর্যায়’ বা সংযোগরক্ষাকারী বলা হয় কেন?

ক) এরা আকারে অনেক বড়ো
খ) পোষক কোশের বাইরে জড়ের মতো এবং ভেতরে জীবের মতো আচরণ করে
গ) এরা সালোকসংশ্লেষ করতে পারে
ঘ) এদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস আছে

সঠিক উত্তর: খ) পোষক কোশের বাইরে জড়ের মতো এবং ভেতরে জীবের মতো আচরণ করে

বিশ্লেষণ: ভাইরাসের নিজস্ব কোনো কোশ নেই (অকোশীয়)। এরা যখন কোনো সজীব পোষক কোশের বাইরে থাকে, তখন বালুকণার মতো সম্পূর্ণ জড় পদার্থের আচরণ করে। কিন্তু কোনো সজীব কোশে প্রবেশ করলেই এরা জীবের মতো সংখ্যা বৃদ্ধি করতে শুরু করে। তাই এদের ‘জীব ও জড়ের সেতু’ বলা হয়।

৭. অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে প্রথম ব্যাকটেরিয়া কে পর্যবেক্ষণ করেছিলেন?

ক) রবার্ট হুক
খ) অ্যান্টনি ভ্যান লিউয়েনহুক (Antonie van Leeuwenhoek)
গ) লুই পাস্তুর
ঘ) রবার্ট কখ

সঠিক উত্তর: খ) অ্যান্টনি ভ্যান লিউয়েনহুক

বিশ্লেষণ: ১৬৭৪ সালে ওলন্দাজ বিজ্ঞানী লিউয়েনহুক তাঁর নিজের তৈরি উন্নত অণুবীক্ষণ যন্ত্রে প্রথম ব্যাকটেরিয়া এবং অন্যান্য সজীব কোশ পর্যবেক্ষণ করেন।

৮. বিজ্ঞানে ‘ব্যাকটেরিয়া’ (Bacteria) শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেছিলেন?

ক) লিউয়েনহুক
খ) লুই পাস্তুর
গ) ক্রিশ্চিয়ান গটফ্রিড এহরেনবার্গ (Ehrenberg)
ঘ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং

সঠিক উত্তর: গ) ক্রিশ্চিয়ান গটফ্রিড এহরেনবার্গ (Ehrenberg)

বিশ্লেষণ: জার্মান বিজ্ঞানী এহরেনবার্গ ১৮২৮ সালে প্রথমবার ‘ব্যাকটেরিয়া’ শব্দটি ব্যবহার করেন। বর্তমানে জীববিজ্ঞানে এদের ‘মোনেরা’ (Monera) রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

৯. দুধ থেকে দই (Curd) তৈরিতে কোন উপকারী ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে?

ক) ই. কোলাই (E. coli)
খ) ল্যাকটোব্যাসিলাস (Lactobacillus)
গ) রাইজোবিয়াম
ঘ) ক্লস্ট্রিডিয়াম

সঠিক উত্তর: খ) ল্যাকটোব্যাসিলাস (Lactobacillus)

বিশ্লেষণ: উষ্ণ দুধে ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুধের শর্করাকে (ল্যাকটোজ) ল্যাকটিক অ্যাসিডে পরিণত করে। এই অ্যাসিডের প্রভাবেই দুধ জমাট বেঁধে দই তৈরি হয় এবং টক স্বাদ আসে।

১০. পৃথিবীর প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক ‘পেনিসিলিন’ কে আবিষ্কার করেন?

ক) লুই পাস্তুর
খ) স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (Alexander Fleming)
গ) এডওয়ার্ড জেনার
ঘ) রবার্ট কখ

সঠিক উত্তর: খ) স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং

বিশ্লেষণ: ১৯২৮ সালে স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং আকস্মিকভাবে পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। তিনি লক্ষ্য করেন ‘পেনিসিলিয়াম নোটেটাম’ নামক একপ্রকার ছত্রাক তার আশেপাশের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। এই ছত্রাক থেকেই প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন তৈরি হয়।

১১. মানুষের যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis) রোগটি কী ধরনের অণুজীব ঘটায়?

ক) ভাইরাস
খ) ব্যাকটেরিয়া
গ) প্রোটোজোয়া
ঘ) ছত্রাক

সঠিক উত্তর: খ) ব্যাকটেরিয়া

বিশ্লেষণ: যক্ষ্মা রোগটি ‘মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস’ নামক ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণে হয়। এটি হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে বাতাসে ছড়ায়। শিশুদের BCG টিকা দিয়ে এই রোগ প্রতিরোধ করা যায় এবং DOTS পদ্ধতিতে এর চিকিৎসা হয়।

১২. ম্যালেরিয়া (Malaria) রোগটি কোন ধরনের জীবাণু দ্বারা ছড়ায়?

ক) ব্যাকটেরিয়া
খ) ভাইরাস
গ) প্রোটোজোয়া বা আদিপ্রাণী (প্লাজমোডিয়াম)
ঘ) ছত্রাক

সঠিক উত্তর: গ) প্রোটোজোয়া বা আদিপ্রাণী (প্লাজমোডিয়াম)

বিশ্লেষণ: ম্যালেরিয়া রোগটি প্লাজমোডিয়াম (Plasmodium) নামক প্রোটোজোয়া দিয়ে হয় এবং এটি স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশার কামড়ে মানুষের শরীরে প্রবেশ করে। সিঙ্কোনা গাছের ছাল থেকে তৈরি ‘কুইনাইন’ এর অন্যতম প্রধান ওষুধ।

১৩. মারণরোগ এইডস (AIDS) কোন জীবাণুর সংক্রমণে ঘটে?

ক) ব্যাকটেরিয়া
খ) ভাইরাস (HIV)
গ) প্রোটোজোয়া
ঘ) ছত্রাক

সঠিক উত্তর: খ) ভাইরাস (HIV)

বিশ্লেষণ: AIDS রোগটি HIV (Human Immunodeficiency Virus) নামক ভাইরাসের কারণে হয়। এই ভাইরাস মানুষের শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পুরোপুরি ধ্বংস করে দেয়।

১৪. কুকুর বা শেয়াল কামড়ালে যে জলাতঙ্ক (Rabies) রোগ হয়, তার টিকা কে আবিষ্কার করেন?

ক) এডওয়ার্ড জেনার
খ) লুই পাস্তুর (Louis Pasteur)
গ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ঘ) রবার্ট কখ

সঠিক উত্তর: খ) লুই পাস্তুর

বিশ্লেষণ: ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৮৫ সালে প্রথম জলাতঙ্ক বা রেবিস রোগের টিকা আবিষ্কার করে চিকিৎসা বিজ্ঞানে যুগান্তকারী পরিবর্তন আনেন। তিনি কুকুরের মেরুদণ্ড থেকে ভাইরাস সংগ্রহ করে এই টিকা প্রস্তুত করেছিলেন।

১৫. পৃথিবীতে প্রথম ‘টিকা’ বা ভ্যাকসিন (বসন্ত রোগের) কে আবিষ্কার করেন?

ক) লুই পাস্তুর
খ) এডওয়ার্ড জেনার (Edward Jenner)
গ) আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
ঘ) রবার্ট কখ

সঠিক উত্তর: খ) এডওয়ার্ড জেনার

বিশ্লেষণ: ১৭৯৬ সালে ইংরেজ চিকিৎসক এডওয়ার্ড জেনার গো-বসন্ত (Cowpox) ভাইরাস কাজে লাগিয়ে মানুষের মারাত্মক বসন্ত (Smallpox) রোগের প্রথম টিকা আবিষ্কার করেন। এই টিকার ফলেই পৃথিবী থেকে আজ বসন্ত রোগ সম্পূর্ণ নির্মূল হয়েছে।

১৬. মাটিতে ‘নাইট্রোজেন স্থিতিকরণ’ (Nitrogen Fixation)-এ কোন ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে?

ক) ল্যাকটোব্যাসিলাস
খ) রাইজোবিয়াম (Rhizobium)
গ) ই. কোলাই
ঘ) স্ট্যাফাইলোকক্কাস

সঠিক উত্তর: খ) রাইজোবিয়াম (Rhizobium)

বিশ্লেষণ: রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া মটর বা ছোলার মতো শিম্বগোত্রীয় উদ্ভিদের মূলে বসবাস করে। এরা সরাসরি বাতাস থেকে নাইট্রোজেন গ্যাস গ্রহণ করে তা মাটিতে মিশিয়ে দেয়, যা উদ্ভিদের পুষ্টি ও মাটির উর্বরতা বাড়ায়। এরা প্রাকৃতিক জৈবসার হিসেবে কাজ করে।

১৭. খাদ্য সংরক্ষণের ‘পাস্তুরাইজেশন’ (Pasteurization) পদ্ধতিতে কী করা হয়?

ক) নুন মাখিয়ে রাখা হয়
খ) নির্দিষ্ট উষ্ণতায় দুধ গরম করে দ্রুত ঠান্ডা করা হয়
গ) ফ্রিজে রাখা হয়
ঘ) রোদে শুকানো হয়

সঠিক উত্তর: খ) নির্দিষ্ট উষ্ণতায় দুধ গরম করে দ্রুত ঠান্ডা করা হয়

বিশ্লেষণ: লুই পাস্তুর আবিষ্কৃত এই পদ্ধতিতে দুধকে নির্দিষ্ট সময় ধরে গরম (যেমন ৭২°C-তে ১৫ সেকেন্ড) করে হঠাৎ বরফ-ঠান্ডা করা হয়। এর ফলে দুধের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া মারা যায় কিন্তু দুধের পুষ্টিগুণ ও স্বাদ একদম ঠিক থাকে।

১৮. পাট গাছ পচিয়ে (Retting) আঁশ ছাড়ানোর কাজে কোন ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে?

ক) রাইজোবিয়াম
খ) ক্লস্ট্রিডিয়াম (Clostridium)
গ) ল্যাকটোব্যাসিলাস
ঘ) নাইট্রোব্যাকটার

সঠিক উত্তর: খ) ক্লস্ট্রিডিয়াম (Clostridium)

বিশ্লেষণ: পাট গাছ কেটে জলের তলায় ডুবিয়ে রাখলে, জলের ক্লস্ট্রিডিয়াম নামক ব্যাকটেরিয়া পাটের আঠালো পদার্থ (পেকটিন) নষ্ট করে দেয়। এর ফলেই পাটকাঠি থেকে সহজে পাটের তন্তু বা আঁশ আলাদা করা যায়।

১৯. প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক ‘পেনিসিলিন’ কোন ধরনের অণুজীব থেকে তৈরি হয়েছিল?

ক) ব্যাকটেরিয়া
খ) ছত্রাক (Penicillium)
গ) শৈবাল
ঘ) ভাইরাস

সঠিক উত্তর: খ) ছত্রাক (Penicillium)

বিশ্লেষণ: পেনিসিলিন ওষুধটি ‘পেনিসিলিয়াম নোটেটাম’ নামক এক প্রকার ছত্রাক (Fungus) থেকে তৈরি হয়। এই অ্যান্টিবায়োটিক ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়ার কোশপ্রাচীর নষ্ট করে তাদের মেরে ফেলে।

২০. কোনো রোগের টিকা বা ভ্যাকসিন (Vaccine) আমাদের শরীরে মূলত কী তৈরি করে?

ক) অ্যান্টিবায়োটিক
খ) অ্যান্টিবডি (Antibody) — যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
গ) নতুন ভাইরাস
ঘ) ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া

সঠিক উত্তর: খ) অ্যান্টিবডি (Antibody) — যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

বিশ্লেষণ: টিকার মাধ্যমে মৃত বা দুর্বল জীবাণুকে আমাদের শরীরে প্রবেশ করানো হয়। শরীর তখন ভাবে আক্রমণ হয়েছে এবং দ্রুত ‘অ্যান্টিবডি’ নামক প্রতিরোধক তৈরি করে রাখে। পরে সত্যি সত্যি সেই জীবাণু আক্রমণ করলে, শরীর আগে থেকেই প্রস্তুত থাকায় তাকে সহজে ধ্বংস করতে পারে।

২১. বাড়িতে আচার বা সবজি সংরক্ষণে ভিনিগার ব্যবহার করাকে বিজ্ঞানের ভাষায় কী বলে?

ক) পাস্তুরাইজেশন
খ) পিকলিং (Pickling)
গ) ক্যানিং
ঘ) ফারমেন্টেশন

সঠিক উত্তর: খ) পিকলিং (Pickling)

বিশ্লেষণ: আম, লেবু বা পেঁয়াজকে ভিনিগার, নুন ও তেলে ডুবিয়ে দীর্ঘদিন ভালো রাখার পদ্ধতিকে ‘পিকলিং’ বলে। ভিনিগারের অম্লতা বা অ্যাসিডিক পরিবেশের কারণে সেখানে ব্যাকটেরিয়া বা ছত্রাক জন্মাতে পারে না।

২২. ছত্রাক (Fungi)-এর কোশপ্রাচীর মূলত কী দিয়ে তৈরি হয়?

ক) সেলুলোজ
খ) কাইটিন (Chitin)
গ) পেপটিডোগ্লাইক্যান
ঘ) লিগনিন

সঠিক উত্তর: খ) কাইটিন (Chitin)

বিশ্লেষণ: উদ্ভিদের কোশপ্রাচীর সেলুলোজ দিয়ে তৈরি হলেও, ছত্রাকের কোশপ্রাচীর ‘কাইটিন’ নামক শক্ত উপাদান দিয়ে গঠিত (যা কীটপতঙ্গের বহিরাবরণেও থাকে)। ছত্রাক সালোকসংশ্লেষ করতে পারে না বলে এরা পরজীবী বা মৃতজীবী হয়।

২৩. বেকারি শিল্পে ইস্ট (Yeast) মেশালে পাউরুটি বা কেকের মণ্ড ফুলে ওঠে কেন?

ক) O₂ গ্যাস উৎপন্ন করে বলে
খ) গাঁজন প্রক্রিয়ায় CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে বলে
গ) প্রচুর জলীয় বাষ্প তৈরি করে
ঘ) তাপ উৎপন্ন করে বলে

সঠিক উত্তর: খ) গাঁজন প্রক্রিয়ায় CO₂ গ্যাস উৎপন্ন করে বলে

বিশ্লেষণ: ময়দা ও চিনির মণ্ডে ইস্ট মেশালে গাঁজন বা ফার্মেন্টেশন প্রক্রিয়ায় কার্বন ডাইঅক্সাইড (CO₂) গ্যাস তৈরি হয়। এই গ্যাসের বুদবুদগুলো মণ্ডের ভেতরে আটকে গিয়ে পাউরুটি বা কেককে স্পঞ্জের মতো নরম করে ফুলিয়ে তোলে।

২৪. মানুষের শরীরে উপস্থিত উপকারী ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীব আমাদের কী উপকার করে?

ক) এরা শুধু রোগ সৃষ্টি করে
খ) এরা অন্ত্রে ভিটামিন তৈরি করে এবং খাবার হজমে সাহায্য করে
গ) এরা শুধু ত্বকে বসে থাকে
ঘ) এদের কোনো কাজ নেই

সঠিক উত্তর: খ) এরা অন্ত্রে ভিটামিন তৈরি করে এবং খাবার হজমে সাহায্য করে

বিশ্লেষণ: সব অণুজীব ক্ষতিকর নয়। আমাদের পরিপাকতন্ত্রে বা অন্ত্রে প্রচুর উপকারী ব্যাকটেরিয়া বাস করে। এরা আমাদের শরীরে অত্যাবশ্যকীয় ভিটামিন B₁₂ ও K সংশ্লেষ করে, অপাচ্য খাবার হজমে সাহায্য করে এবং ক্ষতিকর জীবাণুদের ধ্বংস করে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

অষ্টম শ্রেণির পরিবেশ ও বিজ্ঞান – সপ্তম অধ্যায়: অণুজীবের জগৎ (SAQ ও রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর)

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (WBBSE) অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান সিলেবাসে ‘অণুজীবের জগৎ’ (Microorganisms) অধ্যায়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ছাত্রছাত্রীদের পরীক্ষার প্রস্তুতির সুবিধার্থে এবং পরীক্ষায় পুরো নম্বর পাওয়ার জন্য এই অধ্যায়ের বাছাই করা সংক্ষিপ্ত ও বড়ো প্রশ্নোত্তরগুলো সহজ ভাষায় নিচে আলোচনা করা হলো।


সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর (SAQ) – মান ২/৩

১. অণুজীবদের সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলি কী কী?

সর্বব্যাপ্ততা: অণুজীবরা পৃথিবীর সব জায়গায় থাকতে পারে। বরফের দেশ, ফুটন্ত উষ্ণ প্রস্রবণ, গভীর সমুদ্র এমনকি মানুষের খাদ্যনালীতেও এদের পাওয়া যায়।

আর্দ্রতা ও আলো: এরা সাধারণত ভিজে ও স্যাঁতসেঁতে জায়গায় দ্রুত বংশবৃদ্ধি করে। সরাসরি সূর্যের আলো এদের জন্য ক্ষতিকর, তাই অন্ধকারে এরা ভালো বাড়ে।

তাপমাত্রা ও পুষ্টি: বেশিরভাগ অণুজীব ২৫°C থেকে ৩৮°C তাপমাত্রায় ভালো বাড়ে। পুষ্টির দিক থেকে এরা স্বভোজী (শৈবাল), পরজীবী বা মৃতজীবী হতে পারে।

২. ব্যাকটেরিয়া (Bacteria)-র বৈশিষ্ট্য ও আমাদের জীবনে এদের গুরুত্ব লেখো।

বৈশিষ্ট্য: এরা প্রোক্যারিওটিক, অর্থাৎ এদের কোশে কোনো পর্দা-ঘেরা সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। এদের কোশপ্রাচীর পেপটিডোগ্লাইক্যান দিয়ে তৈরি। আকৃতি অনুযায়ী এরা গোলাকার, দণ্ডাকার, কমা বা প্যাঁচানো স্প্রিংয়ের মতো হতে পারে।

গুরুত্ব:
উপকারী: রাইজোবিয়াম ব্যাকটেরিয়া মাটিতে নাইট্রোজেন আবদ্ধ করে উর্বরতা বাড়ায়। ল্যাকটোব্যাসিলাস দুধ থেকে দই তৈরিতে সাহায্য করে। কিছু ব্যাকটেরিয়া পাট পচাতে এবং অ্যান্টিবায়োটিক তৈরিতে কাজে লাগে।
অপকারী: কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা, টিটেনাস ইত্যাদি রোগ ব্যাকটেরিয়ার কারণেই হয়।

৩. ভাইরাস (Virus)-কে জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী বলা হয় কেন? এর বৈশিষ্ট্যগুলি লেখো।

জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী: ভাইরাস যখন সজীব পোষক কোশের বাইরে থাকে, তখন বালুকণার মতো সম্পূর্ণ জড় পদার্থের আচরণ করে। কিন্তু কোনো সজীব কোশে প্রবেশ করলেই এরা জীবের মতো সংখ্যা বৃদ্ধি করতে শুরু করে। তাই এদের ‘জীব ও জড়ের সেতু’ বলা হয়।

বৈশিষ্ট্য: এরা অকোশীয়। এদের কোনো নিউক্লিয়াস, সাইটোপ্লাজম বা কোশপর্দা নেই। কেবল প্রোটিনের আবরণের ভেতরে DNA বা RNA থাকে। এরা ডেঙ্গু, পোলিও, এইডস, বসন্ত এবং কোভিড-১৯ এর মতো মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

৪. অ্যান্টিবায়োটিক (Antibiotic) ও ভ্যাকসিন (Vaccine)-এর মধ্যে পার্থক্য কী?

বিষয় অ্যান্টিবায়োটিক ভ্যাকসিন বা টিকা
কখন দেওয়া হয় রোগ হওয়ার পরে (সংক্রমণ সারাতে)। রোগ হওয়ার আগে (আগাম প্রতিরোধ করতে)।
কীসের বিরুদ্ধে কাজ করে শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে। ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস উভয়ের বিরুদ্ধেই কাজ করে।
উদাহরণ পেনিসিলিন, স্ট্রেপ্টোমাইসিন। পোলিও (OPV), যক্ষ্মা (BCG), কোভিড টিকা।

৫. খাদ্য সংরক্ষণের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিগুলো সংক্ষেপে আলোচনা করো।

  • পাস্তুরাইজেশন: নির্দিষ্ট উষ্ণতায় দুধ গরম করে দ্রুত ঠান্ডা করে ব্যাকটেরিয়া মারা হয়।
  • পিকলিং: ভিনিগার, নুন ও তেলে ডুবিয়ে আচার তৈরি করা হয়। অ্যাসিডিক পরিবেশে জীবাণু বাঁচে না।
  • সল্টিং: মাছ বা মাংসে নুন মাখিয়ে রাখলে জীবাণুর কোশ থেকে জল বেরিয়ে গিয়ে জীবাণু মারা যায়।
  • রেফ্রিজারেশন: কম তাপমাত্রায় ফ্রিজে রাখলে জীবাণুর বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।
  • রোদে শুকানো: জল শুকিয়ে ফেললে জীবাণু জন্মাতে পারে না (যেমন- আমসত্ত্ব, শুঁটকি মাছ)।

৬. প্রকৃতির নাইট্রোজেন চক্রে (Nitrogen Cycle) অণুজীবের ভূমিকা কী?

বাতাসে ৭৮% নাইট্রোজেন থাকলেও গাছ তা সরাসরি নিতে পারে না। অণুজীবরাই এই কাজে সাহায্য করে:

নাইট্রোজেন স্থিতিকরণ: রাইজোবিয়াম এবং অ্যাজোটোব্যাকটর বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সরাসরি মাটিতে মিশিয়ে মাটির উর্বরতা বাড়ায়।

নাইট্রিফিকেশন: নাইট্রোসোমোনাস এবং নাইট্রোব্যাকটার ব্যাকটেরিয়া মাটির অ্যামোনিয়াকে নাইট্রেটে পরিণত করে, যা গাছ খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করে।

ডিনাইট্রিফিকেশন: সিউডোমোনাস ব্যাকটেরিয়া মাটির নাইট্রোজেনকে ভেঙে আবার বাতাসে ফিরিয়ে দিয়ে প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রাখে।


রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (Broad Questions) – মান ৫

১. অণুজীব কাকে বলে? অণুজীবের শ্রেণিবিভাগ করে প্রতিটি গোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য ও উদাহরণ দাও।

অণুজীব: যেসব জীব এতই ক্ষুদ্র যে তাদের খালি চোখে দেখা যায় না, দেখতে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের প্রয়োজন হয়, তাদের অণুজীব বলে।

শ্রেণিবিভাগ ও বৈশিষ্ট্য:

  • ব্যাকটেরিয়া: এরা এককোশী ও প্রোক্যারিওটিক। এদের সুগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে না। উদাহরণ: রাইজোবিয়াম (উপকারী), ভিব্রিও কলেরি (অপকারী)।
  • আদিপ্রাণী (প্রোটোজোয়া): এরা এককোশী ও ইউক্যারিওটিক। এদের চলন অঙ্গ থাকে (যেমন অ্যামিবার ক্ষণপদ)। উদাহরণ: প্লাজমোডিয়াম (ম্যালেরিয়া ঘটায়), অ্যামিবা।
  • ছত্রাক: এদের কোশপ্রাচীর কাইটিন দিয়ে তৈরি। এরা সালোকসংশ্লেষ করতে পারে না বলে পরজীবী বা মৃতজীবী হয়। উদাহরণ: ইস্ট (পাউরুটি ফোলাতে), পেনিসিলিয়াম।
  • শৈবাল: এরা ইউক্যারিওটিক এবং সালোকসংশ্লেষ করতে পারে। এরা প্রচুর অক্সিজেন তৈরি করে। উদাহরণ: স্পাইরোজাইরা, ক্ল্যামাইডোমোনাস।
  • ভাইরাস: এরা অকোশীয়, অর্থাৎ এদের কোনো কোশ নেই। পোষকের বাইরে এরা জড় পদার্থের মতো। উদাহরণ: HIV, ডেঙ্গু ভাইরাস।

২. মানবদেহে রোগ সৃষ্টিকারী বিভিন্ন অণুজীবের নাম, রোগের নাম এবং প্রতিরোধের উপায় একটি সারণির মাধ্যমে দেখাও।

রোগের নাম জীবাণুর প্রকৃতি সংক্রমণের মাধ্যম প্রতিরোধের উপায় ও টিকা
কলেরা ব্যাকটেরিয়া দূষিত জল ও খাদ্য বিশুদ্ধ জল পান, ORS পান, টিকা।
যক্ষ্মা (TB) ব্যাকটেরিয়া হাঁচি-কাশি (বায়ু) BCG টিকা, DOTS চিকিৎসা।
ম্যালেরিয়া প্রোটোজোয়া স্ত্রী অ্যানোফিলিস মশা মশারি ব্যবহার, মশা দূরীকরণ।
পোলিও ভাইরাস জল ও খাদ্য OPV (পোলিও টিকা)।
দাদ / হাজা ছত্রাক সরাসরি স্পর্শ পরিচ্ছন্নতা, অ্যান্টিফাঙ্গাল মলম।

৩. কৃষি, শিল্প, চিকিৎসা ও পরিবেশে উপকারী অণুজীবের ভূমিকা উদাহরণসহ বিস্তারিত আলোচনা করো।

কৃষিকাজে: রাইজোবিয়াম এবং অ্যাজোটোব্যাকটর বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সরাসরি মাটিতে মিশিয়ে মাটির উর্বরতা বাড়ায় এবং জৈবসার হিসেবে কাজ করে।

শিল্পে (ফার্মেন্টেশন): ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া দুধ থেকে দই, পনির তৈরি করে। ইস্ট (Yeast) বেকারি শিল্পে পাউরুটি ফোলাতে এবং অ্যালকোহল তৈরিতে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

চিকিৎসায়: আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ‘পেনিসিলিয়াম’ নামক ছত্রাক থেকে প্রথম অ্যান্টিবায়োটিক পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন। এছাড়া স্ট্রেপ্টোমাইসিনের মতো অ্যান্টিবায়োটিক এবং বিভিন্ন টিকা (Vaccine) অণুজীব থেকেই তৈরি হয়।

পরিবেশে: নর্দমা বা সুয়ারেজের বর্জ্য পচিয়ে পরিষ্কার করতে ব্যাকটেরিয়া সাহায্য করে। গবাদি পশুর মল পচিয়ে বায়োগ্যাস (রান্নার গ্যাস) তৈরিতে মিথানোজেন ব্যাকটেরিয়া অপরিহার্য।

৪. ইমিউনিটি (Immunity) কাকে বলে? অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেনের সম্পর্ক কী? একটি ভ্যাকসিন কীভাবে কাজ করে?

ইমিউনিটি: বাইরের রোগজীবাণু (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া) শরীরে প্রবেশ করলে, তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে শরীরকে সুস্থ রাখার যে স্বাভাবিক ক্ষমতা, তাকে ইমিউনিটি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা অনাক্রম্যতা বলে。

অ্যান্টিবডি ও অ্যান্টিজেন: বাইরে থেকে আসা ক্ষতিকর জীবাণু বা বিষাক্ত পদার্থকে ‘অ্যান্টিজেন’ বলে। অ্যান্টিজেন শরীরে ঢুকলে, তাকে ধ্বংস করার জন্য আমাদের শরীর যে বিশেষ প্রোটিন তৈরি করে, তাকে ‘অ্যান্টিবডি’ বলে। অ্যান্টিবডি ঠিক তালার মতো অ্যান্টিজেনের (চাবি) সাথে যুক্ত হয়ে তাকে ধ্বংস করে দেয়।

ভ্যাকসিন বা টিকার কাজ: টিকার মাধ্যমে মৃত বা দুর্বল জীবাণুকে আমাদের শরীরে প্রবেশ করানো হয়। শরীর তখন ভাবে আক্রমণ হয়েছে এবং দ্রুত ‘অ্যান্টিবডি’ ও ‘স্মৃতিকোশ’ (Memory Cell) তৈরি করে রাখে। পরে সত্যি সত্যি সেই শক্তিশালী জীবাণু আক্রমণ করলে, শরীর আগে থেকেই প্রস্তুত থাকায় তাকে সহজে ও দ্রুত ধ্বংস করতে পারে, ফলে রোগ আর প্রকাশ পায় না।


💡 একনজরে মনে রেখো! (Quick Revision Tips)

  • অণুজীবের প্রকারভেদ: ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, আদিপ্রাণী, ছত্রাক, শৈবাল।
  • ভাইরাস: জীব ও জড়ের মধ্যবর্তী, অকোশীয় (যেমন- HIV, কোভিড-১৯)।
  • অ্যান্টিবায়োটিক: পেনিসিলিন (আবিষ্কারক: ফ্লেমিং, ১৯২৮) — ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কাজ করে।
  • ভ্যাকসিন বা টিকা: আবিষ্কারক: জেনার (বসন্ত, ১৭৯৬), পাস্তুর (জলাতঙ্ক, ১৮৮৫) — আগাম রোগ প্রতিরোধ করে।
  • দই তৈরি: ল্যাকটোব্যাসিলাস ব্যাকটেরিয়া।
  • পাউরুটি তৈরি: ইস্ট (ছত্রাক)।
  • খাদ্য সংরক্ষণ: পাস্তুরাইজেশন, ক্যানিং, রেফ্রিজারেশন, পিকলিং, সল্টিং।

Leave a Comment