The Price of Bananas | Question And Answer, Translate, Bengali Pronunciation

গল্পটির সারসংক্ষেপ এবং রসগ্রাহী আলোচনা
ইংরেজি ভাষার লেখক, বিশিষ্ট ভারতীয় ঔপন্যাসিক, মুল্ক রাজ আনন্দ তাঁর লেখা উপন্যাস এবং ছোটোগল্পগুলিতে নিখুঁতভাবে ভারতীয় সমাজের ছবি ফুটিয়ে তুলেছিলেন। তাঁর সৃষ্ট সমস্ত সাহিত্যে গরিব ও অবহেলিত মানুষদের প্রতি তাঁর সহানুভূতি নির্দিষ্টভাবে লক্ষ করা যায়। কোনো মানুষের মহত্ত্ব তার বাইরের ঔজ্জ্বল্য এবং জাঁকজমকের ওপর নির্ভর করে না, বরঞ্চ নির্ভর করে তাঁর অন্তরাত্মার মহত্বের ওপর। তাই বারে বারে আমরা দেখেছি, অনেক মানুষ যারা পার্থিব প্রাচুর্যে ভরপুর, যারা সমস্ত ধরনের পার্থিব প্রাপ্তির অধিকারী, তারা মানসিক দিক দিয়ে বড়োই দীনদরিদ্র, ঘৃণিত। অন্য দিকে, গরিব মানুষেরা পার্থিব দিক থেকে দরিদ্র হতে পারে, কিন্তু হৃদয়ের দিক দিয়ে মহান।
এই আপাতভাবে মজাদার, হালকা মেজাজের গল্পটি ওই একই বিষয় ফুটিয়ে তোলে। স্টেশনে পৌঁছে লেখক প্ল্যাটফর্মে একটা বেঞ্চে বসে ট্রেনের জন্য অপেক্ষা করছেন। প্ল্যাটফর্ম বাঁদরে ভর্তি। তারা আমাদের মাঝে মধ্যে বিরক্ত করে, অন্য কোনো কারণে নয়, কেবল কিছু খাবারের জন্য। লেখক তখন লক্ষ করেন, প্রথমে বাঁদর এক সাধুর কৌপীন ছিনিয়ে নেয়। কিন্তু ওই সাধুটির অসহায় কাতর আবেদনে সাড়া দিয়ে বাঁদর তাকে কৌপীন ফিরিয়ে দেয়। এখানেই আমাদের কিছু শেখার আছে। সম্ভবত বেশিরভাগ সময়েই, আমরা বোধহয় জন্তু জানোয়ারের চেয়ে অনেক বেশি স্বার্থপর এবং নিষ্ঠুর হয়ে পড়ি। তারপরে বাঁদরটি এক ব্যাবসাদারের সুতো দিয়ে নকশা করা টুপিটি নিয়ে পালায়। ব্যাবসাদার বাঁদরের ওপর রেগে যান। তিনি বাঁদরকে শাসাতে থাকেন, কিন্তু কোনো ফল হয় না। তখন একজন ফলবিক্রেতা তার ঠেলাগাড়িটা নিয়ে এগিয়ে আসে। দুটি কলার পরিবর্তে সে বাঁদরের কাছ থেকে টুপিটি ফেরত নেয়। আবার এটি প্রমাণিত হয় যে বাঁদরেরা এই সমস্ত কিছু করে স্রেফ একটু খাবারের জন্য। বিক্রেতা খুব নম্রভাবে ব্যাবসাদারকে টুপিটি ফেরত দেয়। তিনি স্বস্তি পান। কিন্তু যখনই ব্যাবসাদার নম্রভাবে কলার জন্য দু-আনা দাবি করেন, ব্যাবসাদারটি আবার রেগে যান, এবারে বিক্রেতার ওপর। তিনি শুধু তাঁকে টাকা দিতেই অনিচ্ছুক ছিলেন না, তিনি বিক্রেতাকে বাজে বাজে কথাও বলেন। এটি দুঃখজনক। শেঠজি, যদিও ধনী, কিন্তু মনের দিক থেকে কৃপণ! তিনি নিজেকে সঠিক ভাবেন, সম্ভবত তাঁর আদৌ কোনো চিন্তাশক্তি না থাকার কারণে। মনুষ্যত্ব তাঁর কাছে একটি বিস্মরণযোগ্য অধ্যায়। কামরার প্রত্যেকটি যাত্রী বিক্রেতার প্রতি প্রকৃতই সহানুভূতি অনুভব করেন কিন্তু শেঠজি তাঁর অন্যায় সিদ্ধান্তের প্রতি অবিচল। সত্যিকার বিরক্তি ও ঘৃণা নিয়ে তিনি বিক্রেতার দিকে প্ল্যাটফর্মের ওপর এক আনা ছুঁড়ে দেন। এটি লেখকের জন্য এক বেদনাদায়ক অভিজ্ঞতা। আমরাও এক হৃদয়হীন মানুষকে দেখি, যিনি বস্তুগত দিক থেকে ধনী কিন্তু আত্মিক দিক থেকে দেউলিয়া।
ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্য বাংলা লিপিতে পাঠ
আই ওয়াজ অন্ মাই ওয়ে ফ্রম ফৈজাবাদ রেলওয়ে স্টেশন টু লখনউ। আই হ্যাড অ্যারাইভড্ অ্যাট দ্য স্টেশন হাফ্ অ্যান আওয়ার ইন অ্যাড্ডান্স অভ্ দ্য টাইম ফর দ্য ট্রেনস্ ডিপারচার। আই স্যাট্ অন আ বেঞ্চ ওয়াচিং দ্য মাঙ্কিজ ফলিকিং অন দ্য ট্রিজ অ্যান্ড অন দি ওপেন প্লাটফর্ম। দ্য মাঙ্কিজ ডিসেন্ডেড্ নাউ অ্যান্ড দেন টু কালেক্ট হাফ্-সাকড্ ম্যাংগো স্টোনস্ অ্যান্ড দ্য রিমেইনডারস্ অভ্ ফুড ফ্রম দ্য প্ল্যাটফর্ম। দ্য ইয়ংগার মাঙ্কিজ স্যাট অন দ্য বাউজ অভ্ নিম্ অ্যান্ড ট্যামারিন্ড ট্রিজ, রেডি টু জাম্প আফটার এনি ফুড দ্যাট্ মে বি ভিজিল্।
জাস্ট দেন দ্য ট্রেন ওয়াজ অ্যানাউন্সড্ বাই দ্য রিংগিং অভ্ দ্য স্টেশন বেল।
আই কনসেন্ট্রেটেড অন্ সিকিওরিং আ সীট ফর মাইসেল্ফ ইন দ্য ট্রেন। আই গট আ উইনডো সীট্ ওভারলুকিং দ্য প্ল্যাটফর্ম। সাম আদার প্যাসেঞ্জারস্ জয়ে মি ইন দ্য কমপার্টমেন্ট। উই ওয়্যার অল সোয়েটিং ফ্রম দ্য রাইজিং হীট্ অভ্ দ্য সামার। সেভারেল প্যাসেঞ্জারস্ ওয়্যার বিজি ফিলিং আপ্ দেইয়ার স্মল্ আর্থ পিচার্স ফ্রর্ম আ ওয়াটার পাম্প। আই ওয়াজ স্ট্রাক্ বাই দ্য জিনিয়াস্ অভ্ আ মাংকি ইন ম্যাচিং অ্যাওয়ে দ্য লয়েন ক্লথ অভ্ আ পায়াস পার্সন হু ওয়্যজ টেকিং আ বাথ আন্ডার দ্য পাম্প। আ গ্রেট ডিল্ অভ্ জেনারেল অ্যামিউজমেন্ট ওয়াজ কজড্ বাই দিস্ ইন্সিডেন্ট। দ্য বেদার দেন রিকোয়েস্টেড দ্য মাংকি টু রিটার্ন হিজ লয়েন্ ক্লথ। দ্য মাংকি ওয়্যজ জেনারাস্ অ্যান্ড থ্রিউ ইট্ ডাউন ফ্রম্ দ্য নিম্ ট্রি অ্যাট্ দ্য ম্যানস্ ফীট্। হোয়াইল অল দিস্ ওয়্যজ গোয়িং অন্, আই নোটিশড্ আ জেন্ট্সম্যান কাম আপ টু আওয়ার কম্পার্টমেন্ট। হি লুকড্ লাইক আ বিজনেস্ম্যান। হি ওয়াজ ড্রেসড্ ইন আ হোয়াইট ধোতি, আ ডেলিকেট টিউনিক অ্যান্ড অ্যান এমব্রয়ডারড মসলিন ক্যাপ্ অন্ হিজ হেড। আ পোর্টার ওয়্যজ ক্যারিয়িং হিজ লাগেজ হুইচ্ ইন্ক্লুডেড্ আ বিগ স্টিল ট্রাঙ্ক, সেভারেল স্মল বাস্কেটস অ্যান্ড আ ব্রাস জাগ। দ্য ম্যান ওয়্যজ শাউটিং অ্যাট্ দ্য পোর্টার টু হারি আপ্ উইথ দ্য লাগেজ। সাডেনলি আ মাংকি লিপট্ ডাউন ফ্রম দ্য টপ্ অভ্ আওয়ার কম্পার্টমেন্ট অ্যান্ড ম্যাচড্ অ্যাওয়ে দ্য ফাইন এমব্রয়ডারড ক্যাপ অভ্ দ্য বিজনেস্ম্যান্। দ্য মাংকি দেন ক্লাইমড্ আপ্ দ্য নিম্ ট্রি। “হোয়াট হ্যাভ্ ইউ ডান, মাংকি।” দ্য বিজনেসম্যান শাউটেড, ইন আটার কফিন। হিজ রাউন্ড অ্যান্ড স্মাগ ফেস্ ওয়াজ কভারড্ উইথ পারস্পিরেসন। হি র্যান টুওয়ার্ডস্ দ্য ট্রি ওভার দ্য পাম্প অ্যান্ড স্টুড় থ্রেইনিং দ্য মাংকি। হাউএভার দ্য মোর হি শাউটেড অ্যাট্ দ্য মাংকি, দ্য রিমোটার দ্য মাংকি বিকেম। ইট্ ওয়াজ দ্য সেম্ মাংকি দ্যাট হ্যাড স্ন্যাচড দ্য বেদারস্ লয়েন ক্লথ।
দ্য পিল্ অন দ্য প্ল্যাটফর্ম ওয়্যার মাচ্ অ্যামিউজড বাই দ্য প্লাইট অভ্ দ্য বিজনেসম্যন। হি লুকড় উইথ আ পিটিয়াস্ অ্যান্ড হোল্লেস্ এক্সপ্রেশন্ অন্ হিজ ফেস্। মিনহোয়াইল, আ ফ্রুট্ হকার হ্যাড কাম্ ফরোয়ার্ড, পুশিং হিজ লিল্ কার্ট। হি টোল্ড দ্য শেঠজি দ্যাট্ হি উড্ রেস্কিউ দ্য ক্যাপ্। দ্য বিজনেস্ ম্যান সীমড় স্লাইটলি রিলিভড়। দ্য ভেন্ডর ওয়েন্ট অ্যাহেড্, ড্যাংলিং আ কাপল্ অভ্ ব্যানানাজ অ্যাট্ দ্য মাংকি উইথ হিজ রাইট হ্যান্ড। হি স্ট্রেইচড় আউট হিজ লেফ্ট হ্যান্ড ফর দ্য ক্যাপ্। দ্য মাংকি সীড্ টু হেজিটেই।
“আও, আও, কাম্ ডাউন”, দ্য ভেন্ডর কোক্সড দ্য মাংকি। হি লিফ্টেড দ্য ব্যানানাজ হাইয়ার আপ্। দ্য মাংকি রেস্পন্ডেড্ বাই ক্লাইমিং ডাউন কসাস্সি টু আ ব্রাঞ্চ নিয়ার দ্য ভেন্ডর।
দ্য হোল্ প্লাটফর্ম বিকেম সাইলেন্ট অ্যান্ড ওয়েটেড, উইথ্ বেটেড ব্রেথ, ফর দি ইম্পসিবল্ টু হ্যাপেন। দ্য ভেন্ডর কুউড্ ইন আ সফ্ট ভয়েস্ আও, আও, টু দ্য মাংকি। দ্য মাংকি, লুকিং দিস্ সাইড অ্যান্ড দ্যাট, অ্যাকসেপটেড দ্য বার্গেন। ইট্ টুক্ ওভার দ্য ব্যানানাজ উইথ্ হিজ রাইট হ্যান্ড অ্যান্ড রিলিজড দ্য এমব্রয়ডারড্ ক্যাপ, স্লাইটলি ক্রাম্পলড্, উইথ ইটস্ লেফ্ট হ্যান্ড।
দ্য স্পেক্টেটরস্ শাউটেড্ ইন প্রেইজ। দ্য ফ্রুট ভেন্ডর কেইম অ্যান্ড হাম্বলি অফারড দ্য শেঠজি হিজ ক্যাপ্। “দে আর হাংরি” হি সেইড, “সো দে ডিস্টার্ব দ্য প্যাসেঞ্জারস্।” “আচ্ছা”, সেইড্ দ্য শেঠজি, অ্যান্ড টার্নড টু গো ইনটু দ্য কম্পার্মেন্ট। দ্য ভেন্ডর সেইড, “শেঠজি, প্লিজ গিভ্ মি টু আনাজ ফর দ্য ব্যানানাজ দুইচ্চ্ আই হ্যাড টু অফার টু দ্য মাংকি।”
“টু আনাজ! হোয়াট ইস্পডেস্!” শেঠজি শাউটেড ইচ্ ওয়ার্ড ইন ডিঙ্গাস্ট অ্যাট দ্য প্রিমি ফ্রুট ভেন্ডর। “প্লিজ গিভ হিম দ্য মানি, শেঠজি,” দ্য রেস্ট অভ্ দ্য কম্পার্টমেন্ট সেইড। “আচ্ছা হেয়ার আর ফোর আনাজ ফর ইউ, পোর্টার, অ্যান্ড অ্যান্ আনা ফর ইউ, ফ্রুট ভেন্ডর!” শেঠজি সেইড্।
“বাট্ আই ক্যারিড্ টু বিগ পিসেস্ অভ্ লাগেজ” দ্য পোর্টার ওয়েলড্।
“গো! গো! কুক্!” শেঠজি থান্ডারড্ অ্যাট দ্য প্রোটেস্টিং পোর্টার। দ্য পোর্টার লেফ্ট। দ্য ফ্রুট ভেন্ডর পারসিস্টেড্, “শেঠজি, বি জাস্ট, আই সেভড্ ইয়োর অনারেবল্ ক্যাপ।” দ্য বিজনেস্ম্যান, থ্রিউ অ্যান আনা টুওয়ার্ডস্ হিম অন দ্য প্ল্যাটফর্ম।
দ্য গার্ডস হুইসেল ব্লিউ। দ্য ট্রেন ওয়াজ অ্যাবাউট টু ডিপার্ট, দ্য ভেন্ডর লুকড্ ইন থু দ্য কমপার্টমেন্ট উইনডো।
“শেঠজি, ডু নট রব দ্য পুওর!”
“যা, যা! টেক্ রেস্ট”, দ্য শেঠজি ফাউড্ অ্যাই হিম। দ্য ট্রেন হ্যাড্ বিগান টু মুভ। দ্য ফ্রুট ভেন্ডর ফার্স্ট র্যান অ্যালং উইথ্ ইট, দেন গট্ অন টু দ্য ফুইস্টেপ্ অ্যান্ড ক্লাংগ টু দ্য উইন্ডো, প্লীডিং। শেঠজি হ্যাড টার্নড হিজ হেড অ্যাওয়ে। হি ওয়াজ লুকিং আউট অভ্ দ্য উইন্ডো অ্যাট দ্য গুডস্ ট্রেন অন দি আদার সাইড। দ্য ট্রেন হ্যাড পাসড্ দ্য হোল লেন্থ অভ্ দ্য প্লাটফর্ম অ্যান্ড দ্য ফ্রাস্ট্রেটেড ভেন্ডর ফাইন্যালি ড্রপড্ অচ্ছ।
শেঠজি টার্নড রাউন্ড টু অল্ অভ্ আস অ্যান্ড বিগ্যান টু জাস্টিফাই হিসেল্ফ। “ইফ্ হি ডিড্ নট্ ওয়ান্ট টু হেল্প মিটু গেট মাই ক্যাপ্ ব্যাক্, হি শ্যুড্ নট হ্যাড অফারড্ দ্য মাঙ্কি দ্য ব্যানানাজ। আই ডিড নট আঙ্ক হিম টু হেল্প।”
আই ফেল্ট দ্যাট অল দি আদার প্যসেঞ্জারস্ হ্যাড সীমপ্যাথি ফর দ্য পুওর ভেন্ডর। দ্য হোল অ্যামিউজিং এপিসোড হ্যাড এন্ডেড ইন আ বিটার সেস্ অভ্ গ্রিডেন্স এগেনস্ট দ্য রিচ্ বিজনেস্ম্যান্ হ্যাড বিন্ সো হার্ড টু দ্য জেনারাস-হার্টেড ফ্রুট ভেন্ডর।
আই ড্রিউ আ কার্টুন অভ্ শেঠজি অ্যান্ড শোওড্ মাই ড্রইং টু অল দি আদার প্যাসেঞ্জারস্ এক্সেপ্ট হিম। এক্রিওয়ান লাফড্। দ্য মোর উই লাফড্, শেঠজি বিকেম দ্য মোর আকম্ফর্টেব্ল।
বঙ্গানুবাদ
আমি ফৈজাবাদ রেল স্টেশন থেকে লখনউয়ের দিকে যাচ্ছিলাম। ট্রেন ছাড়ার আধঘণ্টা আগে আমি স্টেশনে পৌঁছেছিলাম। আমি একটি বেঞ্চে
বসে দেখছিলাম গাছের আর খোলা প্ল্যাটফর্মের ওপর বাঁদররা দুটোপুটি করে বেড়াচ্ছে। মাঝে মধ্যেই বাঁদরপুলি নীচে নামছিল প্ল্যাটফর্মে পড়ে থাকা আধ-চোষা আমের আঁটি বা খাবারের টুকরো কুড়ানোর জন্য। কোনো খাবার দেখলে তার ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য তৈরি হয়ে বাচ্চা বাঁদরগুলো নিমগাছ এবং তেঁতুলগাছের ডালে বসেছিল।
ঠিক তখনই স্টেশনের ঘণ্টা বাজিয়ে ট্রেনের আগমন ঘোষিত হল। ট্রেনে
নিজের জন্য আসন দখল করার দিকে আমি মন দিলাম। আমি জানালার ধারে বসার জায়গা পেলাম, যেখান থেকে প্ল্যাটফর্ম দেখা যায়। ওই কামরায় আরো কিছু যাত্রী আমার সঙ্গে যোগ দিলেন। গ্রীষ্মের ক্রমবর্ধমান উত্তাপে আমরা সবাই ঘামছিলাম। অনেক যাত্রী জলের পাম্প থেকে তাদের মাটির
কলসিতে জল ভরতে ব্যস্ত ছিলেন। একটি বাঁদরের বুদ্ধিমত্তায় আমি স্তম্ভিত হয়ে গেলাম যখন দেখলাম পাম্পের তলায় স্নান করতে থাকা একজন সাধুর পরনের কৌপীন কীভাবে বাঁদরটি ছিনিয়ে নিয়ে চলে গেল। এই ঘটনায় সাধারণভাবে লোকজনের মধ্যে প্রচন্ড মজার পরিবেশ তৈরি হল। স্নান করতে থাকা মানুষটি বাঁদরকে অনুরোধ করতে লাগল তার কৌপীন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য। বাঁদরটি সত্যিই দয়াবান ছিল এবং নিমগাছের ওপর থেকে এটা লোকটির পায়ের কাছে কৌপীনটি ফেলে দিল। যখন এই সমস্ত কাণ্ডকারখানা চলছে, আমি লক্ষ করলাম এক ভদ্রলোক আমাদের কামরায় উঠে এলেন। তাঁকে দেখতে ব্যাবসাদারের মতো ছিল।
তাঁর পরনে ছিল একটি সাদা মসলিনের ধুতি, একটি সূক্ষ্ম ও দামি আলখাল্লা এবং মাথায় সুতোর কাজ করা টুপি। একজন কুলি তাঁর মালপত্তর বইছিল, যার মধ্যে ছিল একটি বড়ো স্টিলের তোরঙ্গ, অনেকগুলি ছোটো ঝুড়ি এবং একটি পিতলের ঘটি। লোকটি কুলিটিকে চিৎকার করে বললেন মালপত্তর তাড়াতাড়ি আনতে। হঠাৎ করেই একটি বাঁদর আমাদের কামরার মাথা থেকে লাফিয়ে নামল এবং ওই ব্যাবসাদারের সুন্দর সুতোর
কাজ করা টপিটি ছিনিয়ে নিল। বাঁদরটি নিমগাছের উপরে উঠে বসল। “বাঁদর, তুই একি কাজ করলি!” ব্যবসায়ী চিৎকার করে বললেন, চরম হতভম্ব হয়ে গিয়ে। তাঁর গোেল, আত্মতৃপ্ত মুখ ঘাসে ভরে গিয়েছিল। তিনি পাম্পের কাছে গাছটির দিকে ছুটে গেলেন এবং দাঁড়িয়ে বাঁদরটিকে শাসাতে লাগলেন। যাইহোক, তিনি বাঁদরটির দিকে যত চিৎকার করেন, বাঁদরটি তত দূরে চলে যায়। এটি সেই বাঁদরটিই যে স্নানরত লোকটির কৌপীন ছিনিয়ে নিয়েছিল।
ব্যবসায়ীর দুরবস্থা দেখে প্ল্যাটফর্মে থাকা লোকজন দারুণ মজা পেল। তিনি করুপ ও নিরাশ মুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ইতিমধ্যে একজন ফলবিক্রেতা এগিয়ে আসছিল তার ঠেলা গাড়ি ঠেলতে ঠেলতে। সে শেঠজিকে বলল সে তাঁর টুপি উদ্ধার করে দেবে। ব্যবসায়ীকে দেখে মনে হল তিনি যেন একটু স্বস্তি পেলেন। ডানহাতে একজোড়া কলা ঝুলিয়ে ফলবিক্রেতা বাঁদরের দিকে এগিয়ে চলল। সে তার বাঁহাতটি বাড়িয়ে দিল টুপির জন্য। বাঁদরটিকে দেখে মনে হল ইতস্তত করছে।
“আও, আও নেমে এসো”, বিক্রেতা বাঁদরটিকে ভোলাতে লাগল। সে কলাগুলিকে আরও উপরে তুলে ধরল। বাঁদরটি একটি ডাল বেয়ে সন্তর্পণে বিক্রেতার কাছে নেমে এসে তার ডাকে সাড়া দিল।
অসম্ভব কিছু ঘটার অপেক্ষায়, রুদ্ধশ্বাসে গোটা প্ল্যাটফর্ম নিঃশব্দে অপেক্ষা করতে লাগল। বিক্রেতা কোমল নিচু গলায় ডাকতে লাগল বাঁদরটিকে, আও, আও। বাঁদরটি এদিক-ওদিক তাকিয়ে প্রস্তাবটি গ্রহণ করল। ডানহাতে কলাটি তুলে নিল এবং বাঁহাতে সুতোর কাজ করা, সামান্য দলা পাকানো অবস্থায় টুপিটা ফেরত দিল।
দর্শকরা প্রশংসায় চিৎকার করে উঠল। ফলবিক্রেতা এল এবং শেঠজিকে বিনীতভাবে টুপিটি ফেরত দিল। “আসলে ওরা তো ক্ষুধার্ত,” সে বলল, “তাই ওরা যাত্রীদের বিরক্ত করে।” “আচ্ছা”, শেঠজি বললেন, এবং কামরায় ঢোকার জন্য ঘুরলেন। । বিক্রেতা বলল, “শেঠজি, কলাগুলি যেগুলি বাঁদরকে দিতে হয়েছিল, সেগুলির জন্য দয়া করে আমাকে দু-আনা দেবেন।”
“দু-আনা! কী বেয়াদবি!” শেঠজি ওই অতি নোংরা ফলবিক্রেতার প্রতি প্রত্যেকটা শব্দ বিরক্তিতে চিৎকার করে বললেন। “দয়া করে ওকে টাকাটা দিন শেঠজি,” কামরার বাকি সব লোক বলে উঠলেন। “আচ্ছা, এই যে কুলি, তোমার জন্য চার আনা আর ফলওয়ালা তোমার জন্য এক আনা!” শেঠজি বললেন।
“কিন্তু আমি যে আপনার দুটো বড়ো বোঝা বইলাম”, কুলি বিলাপ করে বলল।
“যাও! যাও! জোচ্চোর!” প্রতিবাদরত কুলির প্রতি গর্জে উঠলেন শেঠর্জি। কুলি চলে গেল। ফলবিক্রেতা নাছোড়বান্দা হয়ে লেগে রইল “শেঠর্জি বিচার করুন, আমি আপনার মর্যাদাপূর্ণ টুপিটা বাঁচালাম।” ব্যবসায়ী তার দিকে প্ল্যাটফর্মের ওপর একআনা ছুঁড়ে দিলেন।
গার্ডের বাঁশি বাজল। ট্রেন ছাড়ার পথে। বিক্রেতা কামরার জানালা দিয়ে ভিতরে তাকিয়ে রইল।
“শেঠজি, গরিব মানুষকে বঞ্চিত করবেন না!”
“যা, যা! বিশ্রাম নিতে যা,” রাগান্বিত দৃষ্টিতে শেঠজি তাকে বললেন।
ট্রেন চলতে শুরু করল। ফলবিক্রেতা প্রথমে ট্রেনের সঙ্গে সঙ্গে ছুটতে শুরু করল, তারপর পাদানিতে উঠল এবং জানালা ধরে ঝুলতে লাগল, কাকুতি-মিনতি করতে করতে। কিন্তু শেঠজি অন্যদিকে তাঁর মুখ ঘুরিয়ে রাখলেন। তিনি জানালার বাইরে উল্টোদিকের মালগাড়ির দিকে তাকিয়ে রইলেন। ট্রেনটি পুরো প্ল্যাটফর্ম পার হয়ে গেল, হতাশ বিক্রেতা অবশেষে নেমে গেল।
শেঠজি আমাদের সকলের দিকে ঘুরলেন এবং সাফাই দেওয়া শুরু করলেন, “আমাকে টুপি ফেরত পেতে ও যদি সাহায্য করতে না চাইত, তবে তার বাঁদরকে কলা দেওয়া উচিত হয়নি। আমি তো তাকে সাহায্যের কথা বলিনি।”
আমার মনে হল অন্যান্য সমস্ত যাত্রীই হতভাগ্য বিক্রেতার প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। পুরো মজাদার পর্বটাই ওই ধনী ব্যাবসাদারের প্রতি ক্ষোভ দিয়ে শেষ হল যিনি ওই উদার হৃদয়ের ফলওয়ালার প্রতি ভয়ংকর নির্দয় আচরণ করলেন।
আমি শেঠজির একটি ব্যঙ্গচিত্র এঁকেছিলাম এবং তাঁকে ছাড়া অন্যান্য সমস্ত যাত্রীদের আমার আঁকা ছবিটা দেখিয়েছিলাম। প্রত্যেকে হেসেছিলেন। | আমরা যত হাসছিলাম, শেঠজি ততই অস্বস্তি বোধ করছিল।
QUESTIONS & ANSWERS
The Price of Bananas | Class IX
ANSWER KEY
QUESTIONS & ANSWERS
EXERCISE (2): State whether the following statements are True or False.
Write ‘T’ for True and ‘F’ for False statements. Provide sentences / phrases / words in support of your answers.
Supporting Statement: I had arrived at the station half an hour in advance of time for the train’s departure.
Supporting Statement: We were all sweating from the rising heat of the summer.
Supporting Statement: The monkey was generous and threw it down from the neem tree at the man’s feet.
Supporting Statement: A porter was carrying his luggage.
EXERCISE (3): Fill in the chart with information from the text.
| No. | Condition of the sea | Poetic term used |
|---|---|---|
| 1. | The sea helpful for an uninterrupted voyage. | Running sea |
| 2. | The sea poses hindrance to a sailing ship. | Quaking sea |
| 3. | The turbulent sea | Proud unfruitful sea |
| 4. | The sea before the storms | Darkening sea |
1. Running sea
2. Quaking sea
3. Proud unfruitful sea
4. Darkening sea